টিউশন পড়াতে গিয়ে ছাত্রের সাথে চোদাচুদি– ২
কলেজ থেকে ফিরে ওদের বাড়ি গেলাম, বেল বাজাতে দেখে রিকি দরজা খুলে দিল। ওকে দেখেই আমার বুক টা ধড়াস করে উঠলো। তবু মন কে শক্ত
কলেজ থেকে ফিরে ওদের বাড়ি গেলাম, বেল বাজাতে দেখে রিকি দরজা খুলে দিল। ওকে দেখেই আমার বুক টা ধড়াস করে উঠলো। তবু মন কে শক্ত
আমার নাম বর্ষা, Physics নিয়ে মাস্টার্স করে আপাতত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করছি। পড়াশুনো তে ভালো যেমন আমি তেমন চেহারা টাও বেশ। টানটান মুখ,ফর্সা, ৩২ সাইজ এর
দীঘা ঘুরতে গিয়ে ভাই ও দিদির চটি কাহিনী – ১ আমার মামাতো ভাই অমিত, দিল্লীতে থাকে। অমিতের বয়েস ১৭, অমিত ছাত্র হিসাবে খুউব ভালো। সে
আমার নাম অহনা। বাবা মায়ের আদুরে একমাত্র মেয়ে আমি। আমার পরিবারে আরো আছে আমার দাদা রতন আর ছোট ভাই হিমেল। আমি ভার্সিটি সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার
আমি মোস্তাফিজ্জুর রহমান রানা,বয়স ২৮। বাড়ী সুনামগঞ্জ। থাকি ঢাকায়,বছর তিনেক ধরে শুনামধন্য কোম্পানী তে এ্যাকাউন্টেট হিসেবে আছি। সরকারি ইঞ্জিনিয়ার বাবার বড়ো ছেলে হয়েও গ্রামে টাকা
দুপুরের ঘটনার পর সবাই সতর্ক হয়ে গেলাম। তারপর থেকে আমরা ভাবিকে সবসময় চোখে চোখে রাখতে লাগলাম। একমাসের মতো হতে চলেছে। হিমেলের সাথে বিকেল বেলা খুব
আমি চিলেকোঠায় বসে আছি। হিমেল আমার বুকের উপর শুয়ে আছে। দুই ভাই বোন নিজের নগ্নতা আড়াল করার প্রয়োজন বোধ করছি না। রতন দার বিয়ে হয়েছে
কাল হিমেলের ১৭ তম জন্মদিন। ওকে জন্ম দিনে সার্প্রাইজ গিফট দেব বলেছিলাম। ওর সার্প্রাইজ গিফট কেনার জন্য শপিং এ গেলাম। বাবাকে জানিয়ে রেখেছিলাম যেন আমাকে
সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়ার শেষ করে বাসায় রওনা দেই। ফেরার পথে হিমেল আমার পাশে বসে এসে বসে। বাবা ড্রাইভারের পাশে বসে পরে। বাবার সাথে সারা রাস্তা
বাবার তার প্রফেশনাল লাইফের শুরুর দিকে ডিলারশিপের কাজ করত। ধীরে ধীরে আয় বাড়াতে থাকলে এক সময় ইমপোর্ট এক্সপোর্টের ব্যবসায় হাত দেয়। ইমপোর্ট-এক্সপোর্টের ব্যবসা বড় হতে