চাওয়া-পাওয়া ১৩ – Mami Sathe choda lila
গাড়ীর মালিকের সাথে কথা হলো, দর দাম সব অভিজিৎ ঠিক করে দিলো,, মালিক বললো তিন দিন পর থেকে ভরাট ফেলা শুরু করবে, ও এখনি আমাদের
গাড়ীর মালিকের সাথে কথা হলো, দর দাম সব অভিজিৎ ঠিক করে দিলো,, মালিক বললো তিন দিন পর থেকে ভরাট ফেলা শুরু করবে, ও এখনি আমাদের
পরের দিন সকালে মামা ও শিমু বের হয়ে গেছে, আমি তখনো শুয়ে আছি, মামী আমার কাছে এসে, ওঠো রেজা, নাস্তা খাবে না? খাবো,কিন্তু তার আগে
আসলে প্রেম ভালবাসার সহজ লভ্যতার এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বিরল দুটি জিনিস- ” মনের মানুষ” এবং “মানুষের মন। আর আজ দুটোই আমার পাশে। দুজনেই অল্প করে
কিছুক্ষণ পরে সুবেন্দীও এসে আমাদের পাশে বসলো, ইসারাই বুঝালো রান্না বান্না শেষ,এখন খাবো কি না? মামী হাত নেড়ে বললো পরে,, কথা বলতে বলতেই সুবেন্দীর বাবা
দুই মিনিট পর মামী এসে আমার পাশে বসলো, কফি বানাই? না,আমার মনে হয় এখন ঘুমিয়ে যাওয়া ভালো, সকাল সকাল রওনা দিতে হবে,,। মামী আমার মুখের
নরম শরীরের চাপে ঘুমটা ভেংগে গেল,, তাকিয়ে দেখি শিমু পুরা ন্যাংটা, আমি তড়িৎ দরজার দিকে তাকালাম,, আরে পাগল আমি কি দরজা না বন্ধ করে কাপড়
পরের দিন অফিসে,আমার জীগরি দোস্ত, এম রাম,বাড়ী কেরালা, কে ক্যান্টিনে পেয়ে বললাম,, দোস্ত, ক্যায়া বাথ হে?ইতনা দিন কিধার থা? ক্যায়া কারু ইয়ার,ঘরমে থোড়া প্রবলেম থা,ইসলিয়ে
তুমি যখন চাইবে.। মনে রেখো আমায়,ভুলে যেওনা এই অভাগী কে,,, এ কথা বলো না,আমার খারাপ লাগে। তুমিও ভুলো না আমাকে। মামী আবার চুমু দিতে লাগলো,,
Chao pao – 5 – mami ke chodar golpo কিছুক্ষণ পরে মামী শুধু একটা ফিনফিনে পাতলা নাইটি পরে এলো,ভীতরে কিছুই পরেনি, নাইটি ভেদ করে মামীর
শাওয়ার ছাড়তেই শরীর জ্বালা করে ওঠলো। আমার লক্ষী মামীর আচড়ের ফল। কোন রকমে শরীর ভিজিয়ে শ্লান সারলাম। নতুন লুঙ্গী পরে বের হয়ে সরাসরি মামীর রুমে