মামাবাড়ীতে মা ছেলের চোদন- ২
আমি: কিরে শ্যামল তোর ঘুম আচ্ছে না? শ্যামল: না মা! খুব গরম। আমি: তা ঠিক! কিন্তু ২১ দিন তো সহ্য করতে হবে। শ্যামল: হ্যাঁ মা।
আমি: কিরে শ্যামল তোর ঘুম আচ্ছে না? শ্যামল: না মা! খুব গরম। আমি: তা ঠিক! কিন্তু ২১ দিন তো সহ্য করতে হবে। শ্যামল: হ্যাঁ মা।
আজ আমি আমার জীবনের কাহিনী সোনাতে চাই, লকডাউন অনেকের জীবনকে বদলে দিয়েছে তার মধ্যে আমার ও আমার ছেলের জীবনও বদলে গেছে। আমি কখনও ভাবিনি যে
অনিক বাড়ি যাবে বলে নীচে আসে। আর দেখে মধুর ঘর থেকে আলো বেরোচ্ছে। ভাবে তারমানে মধু আন্টি এসে গেছে যদি একবার দেখতে পাই সেই ভেবে
এভাবে কেটে গেছে আরও চার দিন। পাঁচ দিনের দিন রাত্রি বেলায় তপেশ আর সামলাতে পারে না আজ একবার মাস্টার্বেট করতে হবে না হলে আর পারছেনা।
এই ভেবে শুধু শাড়ী টা পড়ে তপেশ এর সামনে দিয়ে যায় তপেশ তার মা কে এই রূপে দেখে ভাবে আজ একবার চেষ্টা করে দেখা যাক।
মধুর নষ্ট জীবন – ৪ | ছেলের ভবিষ্যৎ মায়ের গুদে পরেরদিন রবিবার, সকাল বেলা মধু ফ্রেশ হয়ে তপেশ কে ডাকতে যায়, তপেশ উঠে বাথরুমে ঢুকলে
মধু :: তা তখন ছিলে যখন তখন বললে না কেন? আকাশ:: এটা যে সবার সামনে বলা যাবে না। মধু :: কি এমন যে সবার সামনে
মধু: মানে কি। তোমায় আমি পুলিশ এ দেব বলে ফোন টা হাত থেকে কেড়ে নেয়। এবং ছবি গুলো ডিলিট করে দেয়। আকাশ: ম্যাম ফোন থেকে
মধুরিমা চ্যার্টাজী, ডাক নাম মধু, বয়স ৩৮, পেশায় কোলকাতার একটি নামকরা কলেজের প্রফেসার। অত্যান্ত মার্জিত, ভদ্র, রূচিশীল, বাঙ্গালি গৃহবধূ। এক ছেলে তপেশ কে নিয়ে গড়িয়ার
আমার নাম সুপ্রতিক আমি এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পরে অনেক দিন ছুটি পাওয়াতে মা বাবাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি আত্মীয় দের বাড়িতে। আমার লেখাপড়া অনেক ঝামেলার জন্য