পারিবারিক পুজো – ৭ | পারিবারিক চটি কাহিনী
বলতে বলতে ছেলে বাথরুমে এসে দাঁড়াল। তখন আমাদের কারও গায়ে একটা সুতো নেই। আমি কমোডে বসে আছি দেখে ছেলে আমার সামনে মেঝেতে উবু হয়ে বসল।
বলতে বলতে ছেলে বাথরুমে এসে দাঁড়াল। তখন আমাদের কারও গায়ে একটা সুতো নেই। আমি কমোডে বসে আছি দেখে ছেলে আমার সামনে মেঝেতে উবু হয়ে বসল।
আমি বাবাই, বয়স ১৮, এই বছর এইচ.এস পাস করে কলেজে উঠেছি। জার্নালিজ়ম নিয়ে পড়ছি। আমার নাম বীণা। বয়স ৪২, পুরো গৃহবধূ। টিপিক্যাল বাঙ্গালী গৃহবধূ যাকে
দিদি ভাইয়ের মধ্যে চুদাচুদির এক আসাধারন চটি গল্প আমার যৌবন আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। আগের অঙ্কশ না পড়লে বুঝতে পারেন না। আগের পার্ট –
আমার এক ছেলে দুই মেয়ে আর স্বামী নিয়ে ছিমছাম সংসার। সপ্তাহে তিন চার রাত উদ্দাম চুদন। আমার চেয়ে স্বামী দশ বছরের বড়। ১৬ বছর বয়সে
ওকে চিত করে শুইয়ে ওর বুকে শুয়ে নিজের আসন ঠিক করে নিলাম। ওর কোমরের দুদিকে দুই পা হাঁটু ভেঙে পেছনে রাখলাম, আর হাত দুটো ওর
সুজয়, আমার সোনা ” মা বললো, “তোর টা তোর বয়সের তুলনায় বেশ বড়ো , তোর বাবার সাথে আমি এরকম ভাল অভিজ্ঞতা কখনই করতে পারি নি।
ওকে চিত করে শুইয়ে ওর বুকে শুয়ে নিজের আসন ঠিক করে নিলাম। ওর কোমরের দুদিকে দুই পা হাঁটু ভেঙে পেছনে রাখলাম, আর হাত দুটো ওর
রিকির কথা টা আমার বোধগম্য হলো না, রাগে চেঁচিয়ে উঠলাম। কি বলছো তুমি? রিকি ধমকের চোটে ভরকি খেয়ে তোতলাতে লাগলো। প্লিজ ম্যাম আমাকে বিশ্বাস করুন
বাবা মা আর আমি, তিনজনের ছোট একটা সাজানো গোছানো পরিবার। বেশ ভালোই কাটছিলো আমাদের জীবন। আমি তৌসিফ, এবার ইন্টারে পড়ছি। বাবা মায়ের সাথে বেশ সখ্যতা।
আমার নাম মাধুরী, আমাদের বাড়ি মেদিনীপুরের এক পর্তন্ত গ্রামের দিকে, এই 5G r যুগে ও ঐদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়। আমার বাড়ীতে বাবা, মা ও